বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের আগেই গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তরা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তদন্তে বাংলাদেশি ১০ জন ব্যক্তি এবং দেশি-বিদেশি ছয়টি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি মামলার খসড়া অভিযোগপত্র অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দিয়েছে সিআইডি।
আরও পড়ুন
সূত্র জানায়, খসড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, একটি বেসরকারি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে সিআইডি বলছে, তদন্ত এখনো চলমান এবং চূড়ান্ত চার্জশিটে সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে।
২০১৬ সালে সংঘটিত আলোচিত এ ঘটনায় ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি হলেও এর মধ্যে ৩৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনো উদ্ধার হয়নি ৬৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার।
সিআইডির প্রধান আলী আকবর খান বলেছেন, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তবে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক যুগ ধরে চলা এই মামলায় নতুন গতি এসেছে এবং শিগগিরই অভিযোগপত্র দাখিল হতে পারে।




