শেষ বক্তৃতায় যা বলেছিলেন খামেনি

ছবি : সংগৃহীত
০১ মার্চ ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকালে বিষয়টি জানিয়েছে ইরান।
২০ জিম্মির বিনিময়ে মুক্তি পাবে ১৯৫০ ফিলিস্তিনি বন্দি
মৃত্যুর ১১ দিন আগে শেষেবারের মতো জনসম্মুখে বক্তৃতা দেন তিনি। সেখানে তিনি প্রতিরোধক অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিলেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দ্বিতীয় দফায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরোক্ষ আলোচনার সময় তিনি এই বক্তৃতা দেন।
এ সময় খামেনি বলেছিলেন, ‘আমাদের প্রতিরোধক অস্ত্র থাকতেই হবে, যদি কোনো দেশের কাছে তা না থাকে, তাহলে এটা তার শত্রুদের পায়ের তলায় মিশে যেতে বাধ্য হয়।’
তিনি বলেন, প্রতিরোধক অস্ত্র আমাদের দেশের জন্য অতি জরুরি একটি বিষয়। আমেরিকানরা কোনো কারণ ছাড়াই এখানে নাক গলাচ্ছে। তারা বলে ‘তোমার এমন ধরনের মিসাইল থাকতে হবে, তোমার রেঞ্জ এতটুকু হতে পারবে, এর চেয়ে বেশি নয়! এর মানে কী, তাতে তোমাদের সমস্যা কোথায়? এই ব্যাপারটা তো ইরানি জাতির।
যুক্তরাষ্ট্রকে সেদিন তিনি কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন। খামেনি আরও বলেন, ‘তাদের কাছে মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টও বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী; বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীও কখনো কখনো শক্তিশালী থাপ্পড় খেতে পারে, এতটাই শক্তিশালী যে, এরপর আর তারা উঠে দাঁড়াতে পারে না।’


