হামলা থেকে বাঁচতে জেলেনস্কির নতুন পরিকল্পনা

ছবি : সংগৃহীত
০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হঠাৎ যৌথ হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন। এরপর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে তেহরান। বেশকিছু ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন অবস্থায় ইরানের হামলা প্রতিরোধে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
নেপালে কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ৩, পালিয়েছেন ১৫ হাজার কয়েদি
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইউক্রেনের বিশেষজ্ঞদের পাঠানোর পরিকল্পনা করেছি, যাতে সেখানকার কিয়েভের মিত্র দেশগুলোকে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র থেকে রক্ষায় সাহায্য করা যায়। এ বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং আজ জর্ডান ও বাহরাইনের সঙ্গে বুধবার কথা হয়েছে।
জেলেনস্কি তার মন্ত্রী ও সামরিক কমান্ডারদের এমন পরিকল্পনা করতে নির্দেশ দিয়েছেন—যা মিত্র দেশগুলোকে সহায়তা করবে, তবে ইউক্রেনের নিজস্ব প্রতিরক্ষা দুর্বল করবে না।
তিনি আরও বলেন, জীবনরক্ষা করতে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে ইউক্রেন সাহায্য করতে পারে।
এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ ছয় দিনে গড়িয়েছে। দিনদিন দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা বাড়ছে। ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত ১৭৬ জন শিশুসহ এক হাজারের বেশি ইরানি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ইরানের ‘ট্রু প্রমিজ ৪’ প্রতিশোধমূলক অভিযানের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জনেরও বেশি মার্কিন সামরিক কর্মী নিহত বা আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
গত বছরের ১৩ জুন ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও ড্রোন সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রও সেই অভিযানে অংশ নেয়। সেসময় ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে আঘাতের দাবি করে পেন্টাগন।
১২ দিনের সংঘাত শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস চরমে পৌঁছে যায়। সেই যুদ্ধ-পরবর্তী উত্তেজনাই এ বছরের সংকটের ভিত গড়ে দেয়।


