পথে-প্রান্তরে নজরুল : প্রেম, দ্রোহ আর স্মৃতির গল্প

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ মে ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

কুমিল্লার বাতাস যেন আজও বয়ে নিয়ে বেড়ায় বিদ্রোহী কবির গান আর প্রেমের সুর। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম খুব অল্প সময়ের জন্য এখানে এসেছিলেন, কিন্তু রেখে গেছেন এক বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ। কুমিল্লার মাটি, মানুষ আর পরিবেশ যেন কবির সৃষ্টিশীলতাকে দিয়েছিল এক নতুন দিগন্ত।


নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান থাকলেও উদাসীন বিএনপির কর্তারা

কান্দিরপাড়ের গলি থেকে দৌলতপুরের শান্ত প্রকৃতি—সবখানেই নজরুলের পদচিহ্ন। কোথাও তিনি দ্রোহের কবি, কোথাওবা প্রেমের কবি। ১৯২১ সালে রাজগঞ্জের রাজপথে হারমোনিয়াম কাঁধে নিয়ে মিছিলে যোগ দেওয়া সেই সাহসী যুবকটিই পরে লিখেছিলেন কালজয়ী 'বিদ্রোহী' কবিতা। আবার মুরাদনগরের দৌলতপুরে নার্গিসের প্রেমে পড়া সেই মানুষটির স্মৃতি আজও অমলিন।


আজকের দিনে যখন আমরা কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছি, তখন মনে পড়ে সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোর কথা। নজরুল এভিনিউ কিংবা নজরুল ললিতকলা পরিষদ কবির প্রতি এই শহরের ভালোবাসার স্বাক্ষর। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠটি করুণ। কবির প্রথম স্ত্রীর স্মৃতি বিজড়িত দৌলতপুরের অনেক স্থান আজ অবহেলিত। গবেষকদের দীর্ঘশ্বাস, এই অমূল্য স্মৃতিগুলো যদি সময়ের সাথে হারিয়ে যায়, তবে আমরা হারাবো আমাদের ঐতিহ্যের এক বড় অংশ।

তবে আশার আলো দেখা যাচ্ছে জেলা প্রশাসনের প্রতিশ্রুতিতে। জন্মবার্ষিকীর উৎসবের পাশাপাশি স্মৃতি সংরক্ষণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে, কুমিল্লার প্রতিটি মোড়ে নজরুল থাকবেন চিরযৌবনা, চির জীবন্ত।

কুমিল্লায় নজরুল স্মৃত
বিদ্রোহী কবি নজরুল
নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপন