তারেক রহমানের সঙ্গে শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বৈঠক

ছবি : সংগৃহীত
০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলে।
আনিসুল হকের তিন গাড়িসহ ১৭ বিঘা জমি জব্দ
বৈঠকে শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিল্প খাতে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট এবং আমলাতান্ত্রিক হয়রানির বিষয়গুলো তারা উল্লেখ করেন। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য শুনে তারেক রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে এসব সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমইএর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান, বিএসএমএ সভাপতি মইনুল ইসলাম স্বপন এবং বিএবি সভাপতি আব্দুল হাই সরকার উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, দেশের ব্যবসায়ীরা বর্তমানে বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এর ফলে বিনিয়োগ কমছে, কর্মসংস্থান হ্রাস পাচ্ছে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ব্যাংকিং খাত, স্টক এক্সচেঞ্জ ও ক্যাপিটাল মার্কেট- সব ক্ষেত্রেই গুরুতর সংকট রয়েছে। এসব বিষয় নিয়েই শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি শুধু সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে ব্যবসায়ীদের মতামতও জানতে চান এবং যেগুলো বাস্তবসম্মত মনে করেছেন, সেগুলো তুলে ধরেন।
এদিকে ব্যবসায়ীদের পক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মীর নাসির হোসেন ও আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী। মীর নাসির বলেন, খালেদা জিয়া ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নীতি ছিল বেসরকারি খাতকে এগিয়ে নেওয়া। দেশে ব্যক্তিখাতের বিকাশে তাঁরা পথিকৃৎ ভূমিকা রেখেছেন। তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো জানতে চেয়েছেন এবং ক্ষমতায় এলে কী করতে পারেন, সে বিষয়ে ধারণা নিতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা ও গণমাধ্যমের ঝুঁকির বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি ব্যবসার খরচ কমানো, শেয়ারবাজার শক্তিশালী করা এবং ব্যাংকনির্ভরতা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হয়েছে।


