কোটিপতি তাহেরী, আয়ের উৎস ব্যাংক সুদ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৭ পিএম

হবিগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী, আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ।


জামায়াত আমিরের বাসায় গেলেন তারেক রহমান

হলফনামায় তাহেরী উল্লেখ করেছেন, তার ওপর নির্ভরশীলদের নামে কোনো ধরনের সম্পদ নেই। এমনকি তার স্ত্রীর নামে কোনো স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ বা ব্যাংক জমার অস্তিত্বও দেখানো হয়নি। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং তার স্ত্রী গৃহিণী—তবে স্ত্রীর নামে কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।


হলফনামা অনুযায়ী, অস্থাবর সম্পদের হিসাবে কৃষি খাত থেকে তাহেরীর বার্ষিক আয় ২৬ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় হয় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা এবং ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে তিনি পান ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। তার কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা এবং ব্যাংকে জমা রয়েছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা। এছাড়া নিজের নামে ৩১ ভরি স্বর্ণ রয়েছে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা। আসবাবপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে তাহেরীর নামে কৃষিজমি রয়েছে, যার ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা এবং বর্তমান বাজারমূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ টাকা।

হলফনামায় আরও বলা হয়, তাহেরীর স্ত্রী বা তার ওপর নির্ভরশীল অন্য কোনো ব্যক্তির নামে কোনো সম্পদ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র কিংবা নগদ অর্থ নেই।

ব্যক্তিগত তথ্যের অংশে গিয়াস উদ্দিন তাহেরী উল্লেখ করেন, তার স্থায়ী ঠিকানা কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। তবে হবিগঞ্জের মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি থাকায় সেখানকার আসন থেকেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন।

আইনি বিষয়ে হলফনামায় তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাহেরীর দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরই এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে।