নতুন সরকারে ড. পাভেল ও রুমনকে অন্তর্ভুক্তির দাবি

ছবি : সংগৃহীত

এসএম ফজলুল হক (বিশেষ প্রতিবেদক)

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারে নতুন সরকারে ড. পাভেল ও রুমনকে অন্তর্ভুক্তির দাবি উত্তরবঙ্গের মানুষের। বিএনপির চেয়ারম্যান বগুড়ার কৃতিসন্তান জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারে বগুড়ার গর্ব কৃতিসন্তান প্রফেসর ডাঃ মওদুদ আলমগীর পাভেল ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমনকে নতুন সরকারে অন্তর্ভুক্তির দাবি বগুড়াবাসীর সাথে সমগ্র উত্তরবঙ্গের মানুষের। ২০০৬ সালের পর থেকে ধারাবাহিক সুদীর্ঘ বছরের পর বছর অগোচানো বিএনপি, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরিবারের সাথে বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতাকর্মী শুভাকাক্সক্ষীদের নিজের বুক দিয়ে আগলে রাখতে গিয়ে নিজেরাই বাড়িঘর ছাড়া, ব্যবসা-বাণিজ্য হারা। কখনো প্রকাশ্যে কখনো অপ্রকাশ্যে এসে সাহস ও সহযোগিতা যুগিয়ে আসছে মানুষদের। তালিকায় খুব বেশি নাম বিগত দিনে না থাকলেও এখন জোয়ারের মত জনস্রোতে যেন না হারায় বগুড়া জেলার ২ কৃতিসন্তান।


সংবাদমাধ্যমে হামলা গণতন্ত্রের ওপর আঘাত

বগুড়া জেলার মানুষ হিসাবে রাজধানী ঢাকা শহরে ছিল রুদ্ধ। কেউ সাহস করে আসলে হামলা-মামলা,সন্ত্রাসী দ্বারা অবরুদ্ধ নিত্য ঘটনাবলি এই প্রতিবেদক নিজেও। রাজধানীতে থাকতে হয়েছে ঠিকানা পরিবর্তনের মাধ্যমে। এভাবে পার হয়েছে বছরের পর বছর। অবৈধ্য ফখুরদ্দিন ও মইনদ্দিন আহম্মাদের নেতৃত্বাধীন বেসাময়িক মোড়েক সামরিক শাসনের ষড়যন্ত্রে ভোট লুটের মাধ্যমে দেশ ও বহির্বিশ্বের নানান ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্টক্ষমতায় আসা ফ্রাসিস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন স্বৈরাচারী সরকরের প্রায় ১৬ বছরের শাসনে গুম, খুন, অপহরন, মামলা, হামলা, বাসাবাড়ি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখলসহ সর্বসময়ে হয়রানির শিকার বিএনপির লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীর সাথে জনাব ডাঃ মওদুদ আলমগীর পাভেল, বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব আতিকুৃর রহমান রুমন এমনকি এই প্রতিবেদক নিজেও। তথ্য-প্রযুতি ডিজিটাল আইনসহ বিভিন্ন ১৭টি মামলার আসামি হিসাবে অনেক দিন জেলে আবদ্ধ থাকার অভিজ্ঞতা অর্জিত।


সমায় এসেছে কিছু চাওয়ার। তাই যে দুই কৃতিসন্তানকে সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট করার আলোচনা যেন বাস্তবে রূপ নেয় সেই দাবি উত্তরবঙ্গের মানুষের। দেশ ও জাতীর জন্য সবোর্চ্চ ত্যাগ শিকার করা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গড়া দেশের সর্ব বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির পরীক্ষিত দেশপ্রেম ও মানুষকে ভালবাসার মূল্য যোগাতে হয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষক বীরউত্তম ও সফল প্রেসিডেন্ট শহিদ জিয়াউর রহমান ৩ বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও কনিষ্ট মহুরম আরাফাত রহমান কোকো, অসংখ্য সদস্য। দেশ ও জাতির জন্য জীবন উৎসর্গে বাদ পড়েনি বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিজেও। অবৈধ ফখরুদ্দিন ও মইনুদ্দিন আহম্মেদ নেতৃত্বে গঠিত বেসামরিক মোড়েক সাময়িক শাসনের হিংস্রতার শিকার দেশমাতৃকার গর্বিত কৃতিসন্তান জনাব তারেক রহমান। মামলা-অভিযোগ ছাড়াই আটক জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্মমতা, হত্যার উদ্দেশ্যে উচ্চ ভবনের উপর থেকে নিচে ফেলে দিয়ে মেরুদণ্ডের হাড়ভাঙা, মারা গেছেন ভেবে হাসপাতালে নেয় সরকারি কাগজপত্র ঠিক রাখতে। দেশ ও বহির্বিশ্বের চাপে অবৈধ সরকার সুদীর্ঘদিন পরে কারারুদ্ধ সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম খালেদা জিয়া ও প্রচলিত আইনের আলোয় মুক্তিলাভের পাশাপাশি অযৌক্তিক নানান শর্তে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যৈষ্ঠ্য তৎকালীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব প্রথম জনাব তারেক রহমান কনিষ্টপুত্র জনাব আরাফাত রহমান কোকো উন্নত চিকিৎসা অর্ধমৃত দুই দেশ ও জাতির অমূল্যবান সম্পদ যুক্তরাজ্য ও জার্মানিতে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মালেশিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন জিয়া পরিবারের ছোট সন্তান জনাব আরাফাত রহমান কোকো। প্রায় দেড় যুগ সুচিকিৎসার কারণে জিয়া পরিবারের উত্তরসুরী জনাব তারেক রহমান মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন।

গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে প্রায় দেড়যুগ পরে বাংলাদেশে এসেই হারিয়ে ফেলেন বঙ্গমাতা সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশ ও মানুষের আপনের চেয়ে আপন মমতাময়ী মা বেগম খালেদা জিয়াসহ পরিবারের অন্যরাও বাবা, মা, চাচা, মামা, খালা, ভাইবোন। সর্বহারা জনাব তারেক রহমান। দেশ ও মানুষের আরো এক অভিভাবক জনাব তারেক রহমানের অপর মা শাশুড়ি জীবিত থাকলেও প্রায় ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হচ্ছে মমতাময়ী মাকে।

প্রায় সকল আপনজন হারা বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের আপনজন হয়ে এসেছে দেশের মানুষের সাথে বহির্বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয় জিয়া পরিবারের দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার প্রতিদানস্বরূপ মূল্যবান ভোটপ্রদানের মাধ্যমে গভীর ভালবাসার প্রতিদানে জনাব তারেক রহমান এখন দেশের প্রধানমন্ত্রী। ২/১দিনের মধ্যে নিবাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের পর রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর পূর্বে উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রাণের দাবি, বিশিষ্ট চিকিৎসক বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক প্রফেসর ডা. মওদুদ আলমগীর পাভেল এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব আতিকুর রহমানকে নতুন সরকারের অন্তর্ভুক্তের আবেদন সাধারণ মানুষের।