নির্বাচনের মাঠে ছিল আ’লীগের একটি অংশ

ছবি : সংগৃহীত
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
নির্বাচনকে অবৈধ ঘোষণা দিলেও আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশ মাঠে ছিল বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে ‘নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
জাতীয় পার্টি ও এনডিএফ প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না : হাইকোর্টের রুল
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জুলাই অভ্যুথ্যান ও অন্তর্বর্তী সরকারকে অবৈধ ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে ঘোষণা করে নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। নির্বাচনকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করে প্রতিহত করার ঘোষণা দিলেও মাঠপর্যায়ে দলটির কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশ ভোটার হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। যদিও দলের একটি অংশ ভোট বর্জন করেছে, যা সাধারণ ভোটারদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
‘নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট টানার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াত জোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা এ ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও সাড়া দেখা যায়।’
টিআইবি আরও জানায়, অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ২৩৬ জন সংসদ সদস্য কোটিপতি এবং ১৩ জন শতকোটি টাকার মালিক।
‘ত্রয়োদশ সংসদের অর্ধেক সংসদ সদস্যই দায় বা ঋণ রয়েছে, সদস্যদের মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা বিগত চার সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। দলগতভাবে বিএনপিতে এই হার ৬২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীতে ১৬ শতাংশ।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রচারণা ব্যয়ের সীমা অনলাইন ও অফলাইন একক ও যৌথভাবে ব্যাপক লঙ্ঘিত হয়েছে। নির্ধারিত সীমার তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ থেকে প্রায় ৩২৮ শতাংশ। শীর্ষে বিএনপি (৩২৭.৫ শতাংশ), স্বতন্ত্র (৩১৫.২ শতাংশ), জামায়াত (১৫৯.১ শতাংশ), জাতীয় পার্টি (১২৮.৬ শতাংশ) এবং এনসিপি (১৯ শতাংশ)।


