ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ

ছবি : সংগৃহীত
১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম
রাজপথ কিংবা সামাজিক মাধ্যম, আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে সব জায়গায় সরব ছিলেন আবদুল হান্নান মাসউদ। নেতৃত্ব দেন চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে, ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সমন্বয়ক।রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগ দেন জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি), দায়িত্ব পালন করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সমন্বয়কের।
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে প্রার্থীর বাসায় কাফনের কাপড়
জন্মভূমি নোয়াখালীর দ্বীপ জেলা হাতিয়াকে কেন্দ্র করে নিজেকে নিয়োজিত করেন জনসেবায়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থীর চেয়ে ২৬ হাজার ৭৪৬ ভোট বেশি পেয়ে নোয়াখালী-৬ আসনে বিজয়ী হন তিনি। দেশের ইতিহাসে নাম লেখান সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হিসেবে।
নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, ২০০১ সালের জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন হান্নান মাসউদ। সে অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ২৬ বছর ১ মাস।
বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে সংসদে বসতে এই তরুণেরআত্মবিশ্বাস কতটা তা জানিয়ে বলেন,‘অধিকাংশেরই নাতি-নাতনি রয়েছে আমার বয়সী। আমি মনে করি, এই নাতি-নাতনিরা দাদা-দাদীর চেয়ে আরও বেশি অ্যাডভান্স এবং সংসদে তাদের চেয়ে আরও ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
এনসিপি নেতাদের নিয়ে বিতর্কের জবাব এই নির্বাচনে মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে বলে জানান এই তরুণ নেতা।
হান্নান মাসউদ বলেন,‘আমাদের নিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল, বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা মিথ্যাচার করেছে সেটার জবাব দেশের মানুষ দিয়েছে। কিন্তু জয়ের পরেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্দেশে আমাদের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার শঙ্কাও রয়েছে।’
হাতিয়ার নদী ভাঙন ও ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের কাজকে অগ্রাধিকার দিতে চান সর্বকনিষ্ঠ এই এমপি।
সংসদে জায়গা করে নেয়া এনসিপির অন্য তরুণদের মধ্যে নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আব্দুল্লাহর বয়স ২৭ এবং আখতার হোসেনের বয়স ২৮ বছর।এর আগে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ আসনে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আজিজুল ইসলাম আজিজ ২৮ বছর বয়সে ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য।


