ভারত থেকে এলো আড়াই হাজার টন কয়লা

ছবি : সংগৃহীত
০১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেড় মাস পর ভারতীয় কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী ২০৪ গাড়ি ভারতীয় কয়লা এই দুই স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে।
সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ
রোববার (১ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর শাহীন মাহমুদ।
তিনি বলেন, চলতি বছরের ১০ জানুয়ারির পর থেকে ভারতীয় কয়লা আমদানি বন্ধ ছিল। এতে সবচেয়ে বড় সমস্যায় পড়েন বন্দরে খেটে-খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। শনিবার কড়ইতলী স্থলবন্দর দিয়ে ৬১ গাড়ি ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১৪৩ গাড়ি কয়লা প্রবেশ করেছে। এসব গাড়িতে মোট কয়লা ছিল ২ হাজার ৪২৮ টন। এতে বন্দরকেন্দ্রিক কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি গ্রুপের মহাসচিব অশোক কুমার অপু বলেন, কয়লার দামে ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ লাভ করতে পারে না। এতে আমদানি কম হয়। আমদানি করা কয়লাগুলো শুধু ইটভাটায় যাচ্ছে। ইটভাটায় কয়লার চাহিদা শেষ হলে আমাদের কয়লাও অবিক্রীত অবস্থায় বন্দরে পড়ে থাকে। আমরা ভারতের পাথর আমদানির পরিকল্পনা করছি। এ ছাড়া মাছসহ কিছু পণ্য রপ্তানি করারও পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
কড়ইতলী স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেড় মাস পর কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে। বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা চাঙা করতে চেষ্টা চলছে। বন্দেরের সব ব্যবসায়ীরা চাইলে আমদানির পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য রপ্তানিও সম্ভব হবে। এতে সারাবছর কর্মচাঞ্চল্য ফিরে ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবে।
এ বিষয়ে কড়ইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দরের কাস্টম সুপার মুজাহিদ হোসেন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩৩৬টি গাড়িতে আনুমানিক ৪০ হাজার ৩২ টন কয়লা আমদানি হয়েছে। বছরের ছয় মাস কয়লা আমদানি হওয়ায় বছরের অর্ধেক সময় দুই স্থলবন্দরে সুনসান নীরবতা বিরাজ করে। কর্মহীন হয়ে পড়ে বন্দরকেন্দ্রিক শ্রমিকরা। দুই বন্দরে সারাবছর আমদানি-রপ্তানি সচল থাকলে ব্যবসায়ীরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সরকার পাবে মোটা অঙ্কের রাজস্ব। এ জন্য সারাবছর আমদানি-রপ্তানি সচল রাখা প্রয়োজন।


