ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ
নিয়োগ বাতিল ও তদন্তের দাবি।

০৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মোঃ মুহিববুল্লাহিল বাকীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগে জনমনে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
প্রটোকল ভেঙে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
সনদ জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান, প্রশাসনিক অদক্ষতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পদোন্নতি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মোঃ মুহিববুল্লাহিল বাকীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়ম ও বিতর্কের অভিযোগ উঠেছে, চট্টগ্রামের আন্দারকিল্লা শাহী জামে মসজিদে নিয়োগ পাওয়ার সময় থেকেই মুহিববুল্লাহিল বাকী বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
সরোজমিনে জানা যায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত পূরণ না করেও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি চাকরি পান। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। চাকরিজীবনের বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে অফিসে অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা, সহকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা তৈরির অভিযোগ আছে।
এক পর্যায়ে তাকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে তিনি আবার দায়িত্বে ফিরে আসেন।
তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে , তার বিভিন্ন সনদ, শিক্ষাবর্ষ ও বয়সের তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। এমনকি অস্বাভাবিক কম বয়সে একাধিক উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়।
এছাড়া তথ্য অধিকার আইনের অপব্যবহার করে বিভিন্ন কর্মকর্তা ও ইমামদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং হয়রানির করা হয় । ইসলামী ব্যাংকের শরিয়াহ বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি রাজনৈতিক ও আর্থিক প্রভাব বিস্তার করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় ভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে এমন বিতর্কিত ব্যক্তির নিয়োগ ধর্মীয় ও প্রশাসনিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
মোঃ মুহিববুল্লাহিল বাকীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মহিব্বুল্লাহর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।


