রাজধানীতে ক্রেতা কমলেও চড়া সবজির বাজার

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ০১:৫০ পিএম

রাজধানী ঢাকায় ঈদুল আজহার ছুটির আমেজ এখনো কাটেনি। অনেক বাসিন্দা শহরের বাইরে থাকায় কাঁচাবাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কমে গেছে। তবে বাজারে চাহিদা কমলেও সবজির দাম এখনো চড়া অবস্থায় রয়েছে। পাশাপাশি মাছ-মাংস ও ডিমের বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়।


দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থন জানালো ইইউ

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক মাছ ও মাংসের দোকান এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। কিছু দোকান খোলা থাকলেও বিক্রেতারা ক্রেতার অপেক্ষায় সময় পার করছে। বর্তমানে প্রতি কেজি বয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, কক ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং লেয়ার ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


ডিমের মধ্যে প্রতি ডজন লাল ডিম ১২০ টাকা, সাদা ডিম ১১০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্রাজধানীর শান্তিনগরের এক বিক্রেতা জানান, দোকান খুললেও বিক্রি খুবই কম। মানুষ এখনো গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছে এবং কোরবানির মাংস থাকায় মুরগির চাহিদাও কমেছে।

কয়েক সপ্তাহ এমন পরিস্থিতি থাকতে পারে বলেও তিনি জানানসবজির বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও স্পষ্ট। কোনো কোনো সবজির দাম স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। প্রতি কেজি দেশি টমেটো ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা, দেশি গাজর ১৬০ টাকা, চায়না গাজর ১৮০ টাকা, শিম ৩২০ টাকা, শজনে ১৮০ টাকা, দেশি শসা ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকা এবং ধনেপাতা ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতা কম এবং পাইকারদের সরবরাহও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে বাজারে কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে। আলু ও পেঁয়াজের দামে বড় পরিবর্তন না থাকলেও মাছের বাজারে দাম এখনো বেশি। আকারভেদে ইলিশ মাছ এক হাজার ৩০০ থেকে তিন হাজার টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দাম এখনো চড়া
মাছের বাজারে দাম এখনো বেশি