সীমান্ত থেকে উদ্ধার, দুইমাস পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ষষ্ঠী

ছবি : সংগৃহীত

হারুন উর রশীদ, বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

১১ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তের শূন্যরেখায় দীর্ঘ সময় আটকে থাকার পর উদ্ধার হওয়া ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন (৬৮) অবশেষে দুই মাস পর পরিবারের কাছে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় বকশীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়া মানে নাগরিকত্ব নয় : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিজিবি ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের উপস্থিতিতে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে তার ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মনের কাছে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন, জামালপুর-৩৫ বিজিবির ধানুয়া কামালপুর কোম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেন এবং পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


দীর্ঘদিন পর ভাইকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ভবানী চন্দ্র বর্মন ও পরিবারের অন্য সদস্যরা।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে বিজিবি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। কীভাবে তিনি ভারতে পৌঁছেছিলেন, সে বিষয়ে পরিবার কোনো তথ্য জানাতে পারেনি।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে তিনি সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। দিনভর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবি তাকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন, “বিজিবি বৃহস্পতিবার সকালে সীমান্ত এলাকা থেকে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে উদ্ধার করে থানায় সোপর্দ করে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”