পিলখানা হত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতার মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিনের বিচার ও আপিলের মধ্য দিয়ে আসামি ও নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারদের ধৈর্য পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে।


আওয়ামী লীগের লকডাউনে কোনো মানুষ নেই : এ্যানি

প্রসিকিউশন জানায়, বিস্ফোরক এই মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানক'সহ তৎকালীন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে এসেছে।


এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিস্ফোরক মামলার চিফ প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন। বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আসামি প্রায় সাড়ে ৮শ' জন।

মামলায় ১২০০ সাক্ষীর মধ্যে, সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে তিনশ' জনের। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জবানবন্দিতে শেখ হাসিনা'সহ বেশ কয়েকজনের জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য এসেছে।

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিস্ফোরক এই মামলাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে । ৫ আগস্টের পর এই মামলার কয়েকশ' আসামি জামিন পেয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত হয়েছিল পিলখানা। কেউ কখনও ভাবিতেই পারেনি পিলখানার মতো সুরক্ষিত স্থানে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে জীবন দিতে হবে।

বিচারিক আদালত, ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর, এ মামলার রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্ট ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। খালাস পান ২৮৩ জন।