‘শাপলা গণহত্যার বিচার হলে পরবর্তী হত্যাকাণ্ড ঠেকানো সম্ভব হতো’
নাহিদ ইসলামের মন্তব্য

ছবি : সংগৃহীত
১২ মে ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ‘শাপলা গণহত্যা: বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সাইবার জগতেও যুদ্ধ করতে হবে : মির্জা ফখরুল
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, “শাপলা গণহত্যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গভীর ক্ষতের জন্ম দিয়েছে। সে ঘটনার বিচার ও প্রতিরোধ নিশ্চিত করা গেলে পরবর্তী সময়ে সংঘটিত অনেক সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড হয়তো এড়ানো সম্ভব হতো।”
তিনি বলেন, “কোনো রাজনৈতিক দাবি বা মতের সঙ্গে দ্বিমত থাকতে পারে। তবে দাবি আদায়ে আসা নিরস্ত্র মানুষের ওপর প্রাণঘাতী হামলা বা হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের দৃষ্টিতেও এটি গুরুতর অপরাধ।”
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “দেশের আলেম সমাজের ওপর সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির দায় রয়েছে। তৎকালীন বিরোধী দল হিসেবেও বিএনপি যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেনি।”
মাদ্রাসাশিক্ষার্থী ও ধর্মীয় পোশাকধারীদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দাড়ি-টুপি পরিহিত মানুষ কিংবা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জঙ্গিবাদ বা উগ্রবাদের সঙ্গে যুক্ত করার প্রবণতা ছিল উদ্বেগজনক। অথচ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামসহ বিভিন্ন গণআন্দোলনে আলেম-ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। জাতীয় ইতিহাসে সেই অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।”
সীমান্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সীমান্তে প্রাণহানি ও উত্তেজনা কোনো সুস্থ প্রতিবেশী সম্পর্কের ভিত্তি হতে পারে না। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায্য সম্পর্কের মাধ্যমেই বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে পারে।”
আলোচনা সভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।


