তারেক রহমানের দেশে ফেরার সংবাদে সারাদেশে মিষ্টি বিতরণ
আমরা অতিথি নই। অতীতে সত্য-ন্যায় প্রকাশে আপসহীন দৈনিক আওয়ার বাংলাদেশ। ছিল, বর্তমানে আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।

ছবি : সংগৃহীত
০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৩৯ পিএম
তারেক রহমানের দেশে ফেরার সংবাদে সারাদেশে মিষ্টি বিতরণ চলছে। এ সংবাদটি এখন টক অফ দ্য কান্ট্রি, দেশে আসছেন জনাব তারেক রহমান। বিদুৎগতিতে ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্রই। আগামীর সম্ভাবনাময় সরকারপ্রধান জননন্দিত, জনতার আপন, এ মুখ অতীতে চিরচেনা প্রতিবেদকের অসংখ্য সফর ও সংবাদ সংগ্রহে জনাব তারেক রহমানের আগমন সংবাদটি সাধারণ হলেও অসাধারণ রূপ ধারণ করেছে জনপ্রতিক্রিয়ায়। বিগত ক্ষমতাসীনদের বাধায় বিএনপি ও জিয়া পরিবারের সংবাদ প্রচার অসাধারণ রূপে না থাকলে প্রচার থেকে পিছু হটেনি দেশের সীমিত কয়েকটি গণমাধ্যম। যাদের মাঝে আমরাও আছি।
গণমাধ্যমে শখের চাকরি
তারেক রহমান দেশে আসছেন সাধারণ কোনো ঘটনা নয় মানুষের প্রতিক্রিয়ায়। গণপ্রতিক্রিয়ায় মুগ্ধময় রূপ ধারণ করেছে দেশ ও বিশ্বের সুনামধন্য গণমাধ্যমে প্রচারের গুরুত্বে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় স্বনামধন্য দৈনিক আওয়ার বাংলাদেশ পত্রিকা শুরু থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ক্ষমতাসীনদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গুরুত্ব দিয়েছে বিএনপি ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরিবারিক প্রতিটি সংবাদ প্রকাশ করে। সত্যের সাথে আমরা প্রচার করেছি প্রতিটি ঘটনা। বিবিসি বাংলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার সংবাদ সর্বজনীয় সংবাদ হিসাবে প্রচার অব্যাহত এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অব্যাহত অনলাইন সংবাদ সংস্থায়।
বিবিসি বাংলার সাক্ষাৎকার প্রবাস জীবনের সমাপ্তির সংবাদ সাড়া ফেলেছে মানুষের মাঝে। নাড়া দিয়েছে রাষ্ট্রক্ষমতার শেকড়ে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের আগমনের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ায় মিষ্টি বিতরণ হয়েছে বগুড়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রংপুর বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। আনন্দে উদ্ভাসিত মানুষের আকাঙ্ক্ষায় প্রতিফলন একে অপরকে আলিঙ্গনের মাধ্যমে।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় সরকারের যাত্রা শুরু ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত। ৫ বছরের শাসন শেষের দিন মৃত্যু ঘটে মানবিকতার- আ’লীগ নেতৃত্ব বামজোটের তীব্র আন্দোলন- মৃত্যৃ, লাশের উপর দাঁড়িয়ে নৃত্যের বীভৎসতার চিত্রে শিউরে উঠে বিশ্ববিবেক। নজিরবিহীন নির্মমতার নিকৃষ্ট রূপের ভয়াবহতা। শিউরে উঠে মানবসভ্যতার বিবেক। নাড়া দেওয়া ঘটনায় ছিঃ ছিঃ শব্দে ছেয়ে যায় সমাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক। প্রতিবাদ জানায় বিশ্বের বিবেকবান মানুষ। শিউরে উঠে প্রাণিকূল পর্যন্ত। সৃষ্টিজগতে এমন নজিরবিহীন ঘটনা সম্ভবত প্রথম লাশের নাচানাচি। তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি আব্দুল আজিজের পদত্যাগের দাবি হয়ে উঠে তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অতিরিক্ত দায়িত্বে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিনের পদত্যাগ – সাংবিধানিক সংকটে দেশ। রাজনৈতিক অসহনশীলতার সুযোগে মাঠে নামে মার্কিন গোয়েন্দা, সিআই ও ভারতীয় গোয়েন্দা ‘র’। প্রভাবশালি ২ দেশের ফাঁদে পা দেয় সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান মইনদ্দিন।
বহির্বিশ্বের চাপ ও সেনা বিদ্রোহের সম্ভাবনাময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে সরে যান রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন। ২০০৬ সালে অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ফখরুদ্দিন আহম্মেদ। অন্ধকার শাসনে প্রবেশ করা দেশ অবৈধ শাসকের হাত প্রসারিত হয় দেশের সাবেক ২ প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা পর্যন্ত। আ’লীগ থেকে শেখ হাসিনা বিএনপি থেকে বেগম খালেদা জিয়া। বৃহৎ ২ দলীয় প্রধানদের পদ থেকে সরিয়ে বহু দলে আ’লীগ ও বিএনপিকে বিভক্ত করা। ফখরুদ্দিন ও মইনদ্দিনের অবৈধ সরকারের শাসন দীর্ঘায়ুতে গৃহীত পদক্ষেপের। প্রথম শিকারে আক্রান্ত স্বাধীন বাংলাদেশের ঘোষক জেড ফোর্সের তৎকালীন কমান্ডিং বির উত্তম সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ২ সন্তান জনাব তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো। নির্মমতার শিকার ৫ বছরের শিশু থেকে ৭০ বছরের বয়োবৃদ্ধরাও। সাবেক ২ প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের প্রায় ভিআইপি নাগরিক। সীমাহীন নির্যাতন থেকে বাদ যায়নি শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যোষ্ট্র্যপুত্র জনাব,তারেক ও কনিষ্ট্যপুত্র আরাফাত রহমান কোকোও। মিথ্যা সাজানো অভিযোগে আটক জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্মমতার সকল সীমা অতিক্রম করে জিয়াউর রহমানে পরিবারে প্রায় সদস্যদের ক্ষেত্রে। তৎকালিন বিশ্বাস ও গ্রহণযোগ্য সুত্র থেকে আসা তথ্যে জানা যায় ,তৎকালিন বিএনপি,র যুগ্ন মহাসচিব ১ জনাব,তারেক রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে এক মেজরের নিদেশে ৫ জন সৈনিক ৩ তলার সিরি থেকে নিচে ফেলে দেয় -কোটি কোটি মানুষের চোখের আলো-আপন ও নিকটতমের চেয়েও নিকট জনাব তারেক রহমানকে। তারেক রহমান মারা গেছেন এমন সংবাদ প্রচার হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মানুষ।
দেশে জারি করা জরুরি অবস্থা ভেঙ্গে রাজপথে নামে হাজার হাজার মানুষ। ২চোখের অশ্র ভেজা মানুষের বিষস্ফোরনের ভয়াবহতায় সেনা বাহিনির পক্ষ থেকে জানানো হয় বিএনপি,সিনিয়ার যুগ্নমহাসচিব জনাব,তারেক রহমান জীবিন্ত তবে অসুস্থ্য দেখা করানো হয় ডাঃ জোবায়েদাকে। জনাব,তারেক রহমানের বাস্ত্যব অবস্থার উপর সাংবাদিকদের জানাতে সেনাবাহিনির অনুরোধে ডাঃ জোবায়েদা জানান তারেক রহমানের শারিক অবস্থা। দেশের মানুষের সাথে বহিঃবিশে^ প্রতিবাদে ফেটে পড়ে মাইনাস ২ ফরমুলার। রাষ্ট্য ক্ষমতা দীঘাৃয়ুতে অবৈধ্য সরকারের গ্রহিত পদক্ষেপ বাংলাদেশ ও মানুষের বিরোে ধ যাওয়ায় –বিন্দু,বিন্দু প্রতিবাদ সিন্ধের রুপেরধারন করায় পায়ের নিচে মাটি সরে যায় অবৈধ্য সরকারের ।আদালতের নিদের্শ উপত্তাপ পরিস্খিতি নিয়ন্তনে আপোষ করে ফখরুদ্দিন ও মইনদ্দিনের সরকার। চিকিৎসার জন্য জনাব,তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্যে আরাফাত রহমান কোকোকে জামানি নেওয়া হয়।
তৎকালিন ভারতীয় রাষ্ট্র্যপতি পন্বোমুখ্যজির মধ্যস্থায় সেনাবহিনি ও আঃলীগকে ক্ষমতায় আনেন গোপন ও প্রকাশ্যে ২৫ টি অলিখিত্ব শর্তের আলোয় । উল্লোখ্যযোগ্য সেনাবাহিনির সমর্থনপৃষ্টো ফখরুদ্দিন ওমইনদ্দিনের সরকারের বিগত সকল কাজের বৈধ্যতা এবং সেনাবাহিনির প্রধান হিসাবে মইনদ্দিনকে বহাল বিনা বাধায় তত্বাবধায়ক সরকারের সংশ্লিষ্ট্যদের দেশত্যাগের সুযোগ।


