মির্জা আব্বাসের পরাজয়ের রেকর্ড বেশি : নাসীরুদ্দীন

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, মির্জা আব্বাসের জয়ের চেয়ে হারার রেকর্ড বেশি। ইনশাআল্লাহ এবার শাপলা কলির জয় হবে। আমরা এটা বিশ্বাস রাখি, আশা রাখি। সবার উপরে বিশ্বাস রাখি। আর জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন বিভিন্ন জায়গায় তাদের প্রার্থী দিয়েছেন। কেন্দ্রীয়ভাবে আমাদের আজকের একটি মিটিং রয়েছে। মনোনয়নের এই যাচাই বাছাইটা কাল পর্যন্ত চলবে, তো সেই ক্ষেত্রে ৫ তারিখ পর্যন্ত আমরা আশা করি এই বিষয়গুলো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তাদের যে মনোনয়ন ফর্মগুলা টিকবে, আমাদের যেগুলো টিকবে সেগুলো নিয়ে আমরা একটা সুন্দর যাত্রা করে সরকার গঠনের দিকে যেতে পারবো।


অন্তর্বর্তী সরকার একটি দলের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে : চরমোনাই পীর

শনিবার (২ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।


নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, গত ১৫ বছরে আমাদের তরুণ সমাজকে বলা হয়েছে যে স্মার্ট বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ আমাদের বলা হয়েছিল। কিন্তু আমরা ডিজিটালের কোনো ছিটেফোঁটা কোথাও দেখিনি। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্রাক ঐতিহাসিক যুগে যেভাবে কাজ হয়েছে, সেইভাবে এখনো কাজ হচ্ছে। আমরা আশা করব ভবিষ্যৎ যারা সরকারে আসবে এবং আমাদের যেদিন জোট রয়েছে সবাই মিলে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দেবো। যাতে এই ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা না থাকে। ঢাকা-৮ আসনে জনগণের প্রতিনিধি যে হবে ১২ তারিখে সে রায়ে ইনশাআল্লাহ সবাইকে শাপলা কলিকে বিজয় করার জন্য আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা মনে করি ঢাকা-৮ পলিসি বেজ একটি সুস্থ ইলেকশন হবে। এখানে পেশি শক্তির কোনো মহড়া হবে না। মাফিয়াতন্ত্র কায়েম হবে না। এখনো পরিস্থিতি যেটা দেখছি সেটাতে আমরা মনে করি নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে আমরা ঝুঁকিতে রয়েছি। যারা আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন তারাও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন। প্রশাসনের দিক থেকে যদি উনারা আরও অ্যাকটিভ হন আমরা আশা করি ঢাকা-৮ একটি সুষ্ঠু ইলেকশন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান যে পরিস্থিতি রয়েছে নির্বাচন কমিশন ইলেকশনের তফসিল দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনকে বাংলাদেশে আর দেখতে পাচ্ছি না। প্রধান ইলেকশন কমিশনার থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশের বড় ধরনের শোডাউন হচ্ছে পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর। আমরা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাবো যদি আপনি দায়িত্ব পালনে কোথাও অপরাগতা দেখেন বা কোথাও থেকে প্রেসার ফিল করেন, জনগণের সামনে আসুন, জনগণকে চেহারা দেখান। এই যে দুইদিন যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া চলতে, আমরা এই ধরনের নির্বাচন কমিশন থেকে একটি স্টেটমেন্ট দেখি নাই। গত এক সপ্তাহ যে বাংলাদেশে ছবির মহড়া হলো পোস্টারের মহড়া হলো সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখি নাই। বরং একজন কমিশনার নিজ থেকে আগ বাড়িয়ে কথা বলেছেন যে, নির্বাচন কমিশনের যে বিধিবিধান দিয়েছে সেগুলোর ভায়োলেশন হচ্ছে না। আমরা মনে করি, এই ধরনের দলকানা নির্বাচন কমিশনার তাদের লজ্জা শরম থাকা উচিত এবং অতি দ্রুত তাদের পদত্যাগ করা উচিত।