নতুন পদ্ধতিতে তেল বিক্রি

ছবি : সংগৃহীত
০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
দেশে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট এড়াতে আজ রোববার (৮ মার্চ) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। নির্দিষ্ট যানের ধরন অনুযায়ী তেলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার
এর আগে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই নতুন পদ্ধতির বিষয়ে পাম্পগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে।
ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে দৈনিক ১০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি তেল নেওয়ার সুযোগ থাকবে। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (এসইউভি) বা জিপ এবং মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নিতে পারবে।
এ ছাড়া পিকআপ বা লোকাল বাস প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক বরাদ্দ থাকবে ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি তেল।
বিপিসি জানিয়েছে, দেশে ব্যবহৃত মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতির কারণে মাঝেমধ্যে জ্বালানি তেল আমদানিতে বিলম্ব বা বিঘ্ন ঘটে।
এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সেই চাহিদা পূরণে অনেক ডিলার আগের তুলনায় বেশি পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন বলেও জানায় বিপিসি।


