আইসিসিতে বুলবুলের চিঠি নিয়ে নতুন বিতর্ক

বাংলাদেশকে নিষিদ্ধের দাবি

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম

বাংলাদেশ ক্রিকেটে আবারও নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বিসিবি থেকে অপসারিত হওয়ার পরও তিনি নিজেকে বৈধ সভাপতি দাবি করে এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল—আইসিসির কাছে বাংলাদেশের সদস্যপদ স্থগিত করার আবেদন জানিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।


বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা

ফাঁস হওয়া একটি চিঠিতে দেখা যায়, বুলবুল আইসিসির কাছে অনুরোধ করেছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে দেওয়া সব ধরনের আর্থিক সহায়তা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তার নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত বোর্ড পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত অথবা আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিসিবির জন্য নির্ধারিত কোনো তহবিল যেন ছাড় না করা হয়।


শুধু তাই নয়, চিঠিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিও আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারির আহ্বান জানানো হয়েছে। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, ৭ জুন অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচন আইসিসির সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। বুলবুলের দাবি, আইসিসি যেন ওই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বোর্ডকে বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি না দেয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার বোর্ড পুনর্বহাল না হলে বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত, আইসিসির তহবিল বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেওয়ার মতো ব্যবস্থা বিবেচনা করে।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব নিয়ে পরে বিসিবি সভাপতির পদে আসেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তার নেতৃত্বাধীন বোর্ড বিলুপ্ত ঘোষণা করে। এরপর নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে সংবাদমাধ্যমে চিঠির বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর বুলবুল সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এক ভিডিওবার্তায় তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে প্রচারিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং আইসিসিতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আবেদন তিনি করেননি।

এদিকে, এর আগেও বুলবুলের পাঠানো আরেকটি চিঠিকে আইসিসি গুরুত্ব দেয়নি বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। সর্বশেষ এই অভিযোগের বিষয়ে আইসিসির পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

ফলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—চিঠিটি আদৌ আইসিসির বিবেচনায় আসবে, নাকি এটিও আগের মতো গুরুত্বহীন হয়ে থাকবে? এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের।