ভোট বিএনপির অনুকূলে, দলীয় প্রতিপক্ষের মতই প্রশাসনিক প্রতিকূলতায় নানান শঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত
১৩ অক্টোবর ২০২৫, ০২:২৭ পিএম
বিপুল জনসর্মথনপুষ্ট রাজনৈতিক দল বিএনপির ক্যারিশম্যাটিক নেতা বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কঠোর পরিশ্রমে রাষ্ট্রক্ষমতার নিকটবর্তী বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের ঘোষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট বিএনপির অনুকূলে থাকলেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিছু রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে যুক্ত প্রশাসনিক প্রতিকূলতার মধ্যে আসন্ন সংসদ নির্বাচন। গণরায়ের প্রতিফলন হবে কি? দাঙ্গাবাজ বিশ্বস্তকর্মী সংকট প্রকটে বিএনপির ভোটের বাক্স নিরাপত্তাহীন। নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জাতীয় সংসদের ১৩তম সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা ও প্রস্তুতি গ্রহনের নির্দেশ। প্রয়োজনীয় নানান পদক্ষেপ নিয়েছেন নির্বাচন কমিশন এবং প্রজাতন্ত্রের সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
স্বপ্ন ও তারুণ্যের প্রতিচ্ছবি তারেক রহমান
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানের অপেক্ষায় দেশের কোটি কোটি মানুষ। মূল্যবান ভোট ধানের শীষ প্রতীকের বাক্সে ফেললেও বাক্সের নিরাপত্তা ও হেফাজতকারীর অভাব বিএনপির।
জাতীয় সংসদের অংশগ্রহণমূলক নিরপেক্ষ নির্বাচন ২০০৮ থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস। প্রায় ১৯ বছর সরকার বাছাইয়ে সীমিত নাগরিক অধিকার। হতাশায় নিমজ্জিত জাতি। সরকারি চাকরিতে ৫৬% কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বামদলীয় জোট সরকারের কঠোর অবস্থান দলীয় প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কমচারীরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অপহরণ, হত্যা, গুমে ক্ষুব্ধ মানুষ। বিক্ষুব্ধরূপে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগদান। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে পতন হয় আ’লীগ নেতৃত্বাধীন বামজোট সরকারের পতন ও দেশ ছাড়া সাবেক মন্ত্রী-এমপি, প্রভাবশালী দলীয় নেতা-কর্মী এবং অতিউৎসাহী প্রজাতন্ত্রের বিপথগামী সদস্যরা। দেশে অবস্থান করা তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের নেতা-কর্মীদের বড় অংশ ভোল পাল্টিয়ে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনে অনুপ্রবেশ। অভ্যন্তরীণ দুর্বৃত্তদের অনৈতিক তৎপরতা, চাঁদাবাজি, দখলের মহাযজ্ঞ রাজধানী থেকে তৃণমূল পর্যন্ত।
২০০৬ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পর্যন্ত প্রায় ১৮ বছর বির্তকিত নির্বাচনীয় নাটকে ক্ষুব্ধ মানুষ হলেও প্রতিবাদ বা নির্বাচন দাবি করার মত পরিস্থিতি ছিল না দেশে। দেশে ছিলো প্রজাতন্ত্রের বিপথগামীদের সুদিন, সুসময়ে আলোচিত সমালোচিত গুম, খুন, দখল, চাঁদাবাজি, অপহরণের অনুকূল পরিবেশ। জাতীয় সংসদ নিবার্চন ও ভোট প্রদানের নাগরিক অধিকারের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার সমাপ্তির। ২০০১ থেকে ৫ সাল পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় সরকারের সময় সন্ত্রাসী নিমূলে অপারেশন ক্লিনহার্টে প্রায় ৯৬ হাজার ত্যাগী নেতা-কর্মী আটক এবং আটক আদেশ ভ্যাকেটে পারিবারিক খরচে হাইকোর্ট করায় মনক্ষুন্ন ত্যাগী নেতা ও কর্মী। ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে চারদলীয় সরকার ক্ষমতা ছাড়ার দিন। রাজপথে আ’লীগ ও জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীর ব্যাপক উপস্থিতি থাকলেও বিএনপি সর্মথনে নগণ্য। অপারেশন ক্লিনহার্টে আহত-নিহত নেতা কর্মিদের ক্ষোভ থেকে জন্ম ফখরুদ্দিন ও মইনদ্দিনের অবৈধ তত্বাবধায়ক সরকারের।
ক্লিনহার্টের মূল্যে চুকাতে হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপসহীন দেশনেত্রীখ্যাত বেগম খালেদা জিয়ার হাজতবাস এবং কোটি কোটি মানুষের চোখের মনি জনাব তারেক রহমান ও মরহুম জনাব আরাফাত রহমান কোকো দ্বয় নির্যাতন, নির্মমতার সকল সীমা পরিসীমা অতিক্রম করে জনাব তারেক রহমানকে হত্যার উদ্দেশে ৩ তলা সিঁড়ি থেকে নিচে ফেলে দেওয়াই প্রাণে বেঁচে গেলেও ভেঙে যায় মেরুদণ্ডের হাঁড়।
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ২ সন্তান কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন জনাব তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে অদৃশ্যমান নির্যাতন ও স্লো পয়জন প্রয়োগ করায় কয়েক বছরের মধ্যে মুত্যুবরণের ঘটনা চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিলো নির্মমতার ভয়াবহতা। দীর্ঘ অপেক্ষা ও বহুল প্রত্যাশিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তারিখ যত এগিয়ে আসছে ততই বৃদ্ধি পাছে শঙ্কা।


